একটি সৎ, স্বচ্ছ ও ব্যবহারকারীবান্ধব প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্য নিয়ে Joyabest যাত্রা শুরু করেছিল। সেই লক্ষ্য আজও অপরিবর্তিত।
একটা সাধারণ প্রশ্ন থেকে এই পথ শুরু হয়েছিল
বাংলাদেশের মানুষ অনলাইন বেটিং ও গেমিং করতে গিয়ে কী অসুবিধায় পড়েন? ২০২০ সালে Joyabest-এর প্রতিষ্ঠাতা দলটি এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুরু করেন এবং যা পেলেন তা বেশ হতাশাজনক ছিল।
প্ল্যাটফর্মগুলো বাংলায় নেই, পেমেন্টে ঝামেলা, জিতলে তোলা যায় না, সাপোর্টে কথা বলা যায় না – এই অভিযোগগুলো বারবার উঠে আসছিল। সেই ফাঁকটা পূরণ করতেই Joyabest-এর জন্ম। শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলায়, তাদের পরিচিত পেমেন্ট সিস্টেমে একটি সম্পূর্ণ গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া।
আজ Joyabest বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম। পাঁচ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য, ৩০টির বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরি এবং ৯৮%-এর উপরে পেআউট সাফল্যের হার নিয়ে আমরা এগিয়ে চলেছি।
"আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের মানুষ যেন নিজের ভাষায়, নিজের পরিচিত উপায়ে, কোনো ঝামেলা ছাড়াই অনলাইন গেমিং উপভোগ করতে পারেন। Joyabest সেই স্বপ্নটাকেই বাস্তবে রূপ দিচ্ছে।"
যে লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা প্রতিদিন কাজ করি
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ভাষা, পেমেন্ট বা প্রযুক্তির কোনো বাধা যেন না থাকে – এটাই আমাদের দৈনন্দিন কাজের মূল চালিকাশক্তি।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারীবান্ধব অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা। প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে শিল্পে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করাই আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।
প্রতিটি ব্যবহারকারীকে সম্মান ও মনোযোগের সাথে সেবা দেওয়া। জয়ের পেআউট আটকানো হবে না, সাপোর্টে দেরি হবে না এবং ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে যাবে না – এই তিনটি প্রতিশ্রুতে আমরা কোনো আপোস করি না।
আমাদের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো যা আমাদের আলাদা করে
Joyabest আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনপ্রাপ্ত এবং নিয়মিত স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের অডিটের মধ্য দিয়ে যায়। গেমের RNG সার্টিফাইড, তাই প্রতিটি ফলাফল ন্যায্য ও অপ্রত্যাশিত।
ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে লাইভ চ্যাট সাপোর্ট পর্যন্ত সব কিছু বাংলায়। বিদেশি প্ল্যাটফর্মে যে ভাষার সমস্যা হয়, Joyabest-এ সেই সমস্যা নেই – আপনি যা বলতে চান তা বাংলায় বলুন।
বাংলাদেশে অধিকাংশ মানুষ স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। Joyabest-এর ইন্টারফেস মোবাইলের জন্য বিশেষভাবে অপ্টিমাইজড – ছোট স্ক্রিনে সব ফিচার সমান সহজে কাজ করে।
bKash, Nagad ও রকেটে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল করা যায়। ব্যাংক ট্রান্সফার বা ক্রিপ্টোর ঝামেলা নেই – আপনার পরিচিত পদ্ধতিতেই সব কিছু সম্পন্ন হয়।
জয়ের পর অপেক্ষা করানো হয় না। সাধারণ অ্যাকাউন্টে ৩০ মিনিটের মধ্যে এবং VIP অ্যাকাউন্টে ৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্রয়াল সম্পন্ন হয়। বড় জয়েও পেআউট আটকানো হয় না।
ব্যবহারকারীর সুস্থতা আমাদের কাছে ব্যবসার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো টুল দিয়ে আমরা দায়িত্বশীল খেলাকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করি।
যে নীতিগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করে
অডস, বোনাসের শর্ত, পেআউট নীতি – সব কিছু পরিষ্কার ভাষায় লেখা থাকে। লুকানো কিছু নেই।
প্রতিটি গেমের ফলাফল সার্টিফাইড RNG-এর মাধ্যমে নির্ধারিত। মানুষ বা সিস্টেম কেউ ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
ব্যবহারকারীর তথ্য ও অর্থ সুরক্ষায় শিল্পের সর্বোচ্চ মান মেনে চলা হয়। কোনো আপোস নেই।
প্রতিটি ফিচার ব্যবহারকারীর সুবিধার কথা ভেবে তৈরি। ব্যবহারকারীর মতামত আমাদের উন্নতির পথ দেখায়।
বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং বাজারের ফাঁক পূরণের লক্ষ্যে একটি ছোট দল Joyabest প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম দিন থেকেই বাংলা ইন্টারফেস ও bKash পেমেন্ট সংযুক্ত ছিল।
লাইভ ডিলার ক্যাসিনো বিভাগ যোগ হয়। Baccarat, Roulette ও Dragon Tiger-এ বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের বিশাল সাড়া পাওয়া যায়। একই বছরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়।
ক্রিকেট ও ফুটবলের পাশাপাশি ৩০টির বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরি যোগ করা হয়। ইন-প্লে বেটিং ও Cash Out ফিচার চালু করা হয়। আন্তর্জাতিক লাইসেন্স নবায়ন করা হয়।
চার স্তরের VIP প্রোগ্রাম চালু হয়। হাই রোলারদের জন্য আলাদা প্রাইভেট টেবিল ও ডেডিকেটেড ম্যানেজার সেবা শুরু হয়। ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
ডেডিকেটেড মোবাইল অ্যাপ এবং ই-স্পোর্টস বিভাগ চালু হয়। Nagad ও রকেটে পেমেন্ট সুবিধা যোগ হয়। সাপোর্ট টিম ১০০ জনের বেশি হয়।
পাঁচ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য নিয়ে Joyabest বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বাংলাদেশে একটা সাধারণ সন্দেহ আছে – টাকা রাখলে কি আবার তোলা যাবে? জিতলে কি সত্যিই পেআউট পাওয়া যায়? এই প্রশ্নগুলো যুক্তিসংগত এবং Joyabest এগুলো সরাসরি উত্তর দিতে কোনো দ্বিধা করে না।
Joyabest আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশনের লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত হয়। এই লাইসেন্স পেতে নিয়মিত আর্থিক নিরীক্ষা, গেমিং সফটওয়্যার সার্টিফিকেশন এবং খেলোয়াড় সুরক্ষা নীতিমালা মেনে চলার প্রমাণ দিতে হয়। প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়নের সময় আবার একই প্রক্রিয়া হয় – তাই এটা এককালীন ব্যাপার নয়।
গেমের ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে Joyabest iTech Labs-সার্টিফাইড RNG (Random Number Generator) ব্যবহার করে। এর মানে হলো প্রতিটি কার্ড বিতরণ, রুলেটের ফল বা স্লট মেশিনের ফলাফল সম্পূর্ণ এলোমেলো – কোনো মানুষ বা সিস্টেম এটা পূর্বনির্ধারণ করতে পারে না। এই সার্টিফিকেশন প্রতি বছর পুনর্যাচাই হয়।
ব্যবহারকারীর ডিপোজিট কোম্পানির পরিচালনা ব্যয় থেকে সম্পূর্ণ আলাদা সেগ্রিগেটেড ফান্ডে রাখা হয়। এর ব্যবহারিক অর্থ হলো Joyabest যদি কোনো কারণে আর্থিক সমস্যায় পড়েও, তাহলেও ব্যবহারকারীর টাকা সুরক্ষিত থাকবে। এটা কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, লাইসেন্সের বাধ্যবাধকতা।
বড় জয়ের পেআউটে Joyabest কখনো অযুক্তিক বাধা দেয় না। হাই রোলার অ্যাকাউন্টে লক্ষাধিক টাকার পেআউট প্রতিদিনই হচ্ছে। প্রথমবার বড় অঙ্ক উইথড্রয়াল করলে পরিচয় যাচাই (KYC) করতে হয়, যেটা একটাই আইনি বাধ্যবাধকতা – এটা শেষ হলে পরবর্তী উইথড্রয়ালগুলো সাধারণত অনেক দ্রুত হয়।
Joyabest-এর সাপোর্ট টিম সার্বক্ষণিক বাংলায় কাজ করে। লাইভ চ্যাট বা ইমেইলে যোগাযোগ করলে কয়েক মিনিটের মধ্যে সাড়া পাওয়া যায়। কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা বা লেনদেনে সমস্যা হলে সরাসরি মানুষের সাথে কথা বলার সুযোগ আছে – অটোমেটেড রেসপন্সে আটকে থাকতে হয় না।
এশিয়া গেমিং অ্যাওয়ার্ডস কর্তৃক স্বীকৃত – মোবাইল অভিজ্ঞতায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি।
আন্তর্জাতিক মানের ন্যায্য গেমিং নিশ্চয়তা। প্রতি বছর পুনর্যাচাই করা হয়।
আন্তর্জাতিক কার্ড সুরক্ষার সর্বোচ্চ মান মেনে পেমেন্ট সিস্টেম পরিচালিত।
GamCare-এর সাথে অংশীদারিত্বে দায়িত্বশীল গেমিং প্রচারে সক্রিয়।
আমরা বিশ্বাস করি যে একটি ভালো প্ল্যাটফর্মের কোনো কিছু লুকানোর থাকে না। আমাদের লাইসেন্স নম্বর, অডিট রিপোর্টের সারাংশ এবং পেআউট পরিসংখ্যান প্ল্যাটফর্ম পেইজে বিস্তারিত দেওয়া আছে।
যারা প্রতিদিন Joyabest-কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন
১০ বছরের বেশি ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশে ডিজিটাল পেমেন্ট ও গেমিং শিল্পে পথিকৃৎ।
সাইবার নিরাপত্তা ও প্ল্যাটফর্ম স্থিতিশীলতায় বিশেষজ্ঞ। ব্যাংকিং খাত থেকে আসা অভিজ্ঞতা।
ক্রিকেট ও ফুটবলে গভীর জ্ঞান, অডস মার্কেট পরিচালনায় আট বছরের অভিজ্ঞতা।
বাংলায় সর্বোচ্চ মানের গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্বে। ৫০ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন।
মোট ১০০+ দলের সদস্য প্রতিদিন Joyabest-কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
পাঁচ লাখ সদস্যের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে আজই আপনার যাত্রা শুরু করুন
আমাদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো
বিশ্বাসযোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও আনন্দের সমন্বয়ে তৈরি একটি প্ল্যাটফর্ম। আজই যোগ দিন।
বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন